document.write(' এডিলেডে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে ফিল হিউজকে স্মরন করে নামা টেস্টটা স্মরনীয় করে রাখলো অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিনের শেষ সেশনে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে স্পিনার নাথান লায়ন অজিদের জয় এনে দিয়েছে ৪৮ রানের। প্রথম ইনিংসের ৫১৭ রানের সাথে ৫ উই কেটে ২৯০ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। ৩৬৪ রানের চ্যালেঞ্জের জবাবটা ভালো দিলেও ভারত অল আউট হয়৩১৫ রানে। শোকাচ্ছান্ন অস্ট্রেলিয়ার আবেগি এ টেস্ট জয় আর উচ্ছাসে যেন মিশে রইলেন ৬৩ তে চিরকালের জন্য নট আউট থাকা ফিল হিউজ। অজিদের জয়ের তাড়না-ভারতের চ্যালেঞ্জ গ্রহন।শেষ পর্যন্ত লড়াকু এক টেস্টই উপহার দিল। চতুর্থ ইনিংসে এডি লেডে তিনশো পেরিয়ে ম্যাচ জেতার ঘটনা ছিলো একটিই। ৩৬৩ রানের লিডটা তাই সাহস যুগিয়েছে ক্লার্ককে শেষ দিনে আর ব্যাটিংয়ে না নামার। ৫৭ রানে দু উইকেট হারানোর পর মুরলি বিজয় ও কোহলির- অজি বোলারদের চোখে-চোখে রেখে লড়াইয়ে শেষ সেশনে ম্যাচটা হেলে ছিলো ভারতের দিকেই। ৩৭ ওভারে ১৫৮ রান করে জিততে না পারলেও ভারত যে আট উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হেরে বসবে এমন ভাবনা ভাবেনি কেও। উপভোগ্য এক টেস্টে এরই মাঝে গ্রেগ চ্যাপেলের পর টেস্ট ক্যাপটেন্সিরর অভিষেকেই দু ইনিংসে সেঞ্চুরির কৃর্তি গড়ে দেখান বিরট কোহলি। নিরানব্বইয়ে মুরলি বিজয় আর ঐ ওভারেই রাহানে নয় ওভারের মধ্য রোহিত ঋদ্ধিমানকে আউট করে ম্যাচের রং বদলে দেন নাথান লায়ন। ভারত সমর্থকের আকাশে জমা মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে যখন দলীয় ৩০৪ রানে ব্যক্তিগত ১৪১ এ ফিরে যান কোহলি। ৬০ রানের চেয়েও দিনের বাকি ১৭ ওভার দুই বল পারি দেয়াটায় দুস্কর হওয়ার কথা ছিলো শামি,অ্যারোন,ইশান্তের জন্য। তাই হয়েছে। ভারত অল আউট ৩১৫তে। ওয়ার্নার,কোহলির দু ইনিংসে সেঞ্চুরি,পুরো টেস্টে সাত। তবে যার কাছে নতজানু ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। সেই লায়ন ক্যারিয়ার সেরা এক টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচ সেরা ।এত প্রাপ্তির টেস্টে দু:সংবাদ তবু ইনজুরি ক্লার্ককে কেরে নিলো সিরিজের বাকি সময়ের জন্য ');